স্পিকার হওয়ার পর প্রথম নিজ নির্বাচনী এলাকায় হাফিজ উদ্দিন আহমদ
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার পর নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রথম সফরে এসেছেন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজুমদ্দিন) আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য। আজ শুক্রবার বিকেলে তজুমদ্দিন উপজেলায় তাঁকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান ঘিরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা। প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার স্পিকার তাঁর তিন দিনের সফরের অংশ হিসেবে ভোলায় পৌঁছান। এদিন বিকেলে লালমোহন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে লালমোহন নাগরিক ফোরামের উদ্যোগে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
সফরের দ্বিতীয় দিনে আজ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আগে বিকেল চারটায় তজুমদ্দিন উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন স্পিকার। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
তজুমদ্দিনে স্পিকারের সংবর্ধনা উপলক্ষে সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ মিছিল, ঢোল-বাদ্য নিয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এ সময় নেতা–কর্মী ও সাধারণ জনগণ ফুলেল শুভেচ্ছায় স্পিকারকে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানে বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকেও তাঁকে সম্মাননা জানানো হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার বলেন, তিনি সংবর্ধনা গ্রহণের জন্য নয়, বরং এলাকার জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘ভোলা-৩ আসনের মানুষ সব সময় আমার পাশে থেকেছেন। তাঁদের ভালোবাসা ও সমর্থনেই আজ আমি এ অবস্থানে পৌঁছেছি। এলাকার উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে এবং ভবিষ্যতেও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।’
ভোলা-বরিশাল সেতু ও একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে স্পিকার বলেন, এগুলো এ অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য দাবি এবং এই দাবি বাস্তবায়নে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক ও বর্তমান নেতারা, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।