রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও আদালতের বিশেষ কৌঁসুলি দেওয়ান নাজমুল হক প্রথম আলোকে বলেন, অভিযুক্ত ছয় আসামির মধ্যে দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাঁদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত চারজনের মধ্যে দুজন পলাতক। বাকি দুই আসামিকে রায় ঘোষণার পর কারাগারে পাঠানো হয়।

দণ্ডিত আসামিরা হলেন পাবনার সুজানগর উপজেলা সদরের জাহাঙ্গীর হাসান (৪০), সদর উপজেলার বাহিরচর গ্রামের রবিউল ইসলাম (৪২), একই উপজেলার আওরঙ্গবাদ গ্রামের নজরুল ইসলাম (৪৫) ও সুজানগর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের কামলার হোসেন (৪০)। এর মধ্যে নজরুল ও কামলার পলাতক।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, নিহত বালু ব্যবসায়ী আলাউদ্দিনের সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ব্যবসায়িক লেনদেন ছিল। ওই লেনদেন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। এর জেরে ২০০০ সালের ৩ আগস্ট আলাউদ্দিনকে বাড়ি থেকে অপহরণ করা হয়। এরপর তাঁকে হত্যা করে জেলা সদরের চর তারাপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে লাশ ফেলে দেওয়া দেয়। ঘটনার তিন দিন পর নদী থেকে ওই ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার হয়।

এ ঘটনায় নিহত আলাউদ্দিনের চাচা আনিসুর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ মামলার তদন্ত শেষে দণ্ডপ্রাপ্ত চারজনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। আদালত দীর্ঘ শুনানি ও ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে রায় ঘোষণা করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন