এএসআই মকিম উজ জামান প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাত পৌনে ৯টার দিকে খানপুর গ্রামে আসামি গ্রেপ্তার অভিযানে যান তিনি ও তাঁর এক সহকর্মী। যৌন হয়রানি মামলার পলাতক আসামি আহাম্মদ আলীকে (৪০) তাঁর বাড়ির সামনের সড়ক থেকে তাঁরা গ্রেপ্তার করেন। হাতকড়া পরানোর সময় আহাম্মদ আলী চিৎকার করে স্বজনদের ডাকতে থাকেন। এ সময় তাঁর স্বজনেরা লাঠিসোঁটা নিয়ে এসে তাঁদের দুজনের ওপর হামলা করে আহাম্মদ আলীকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে সহযোগিতা করতে এগিয়ে এলে স্বজনেরা পালিয়ে যান। তবে গ্রেপ্তার আসামি আহাম্মদকে তাঁরা ছিনিয়ে নিতে পারেননি।

হামলার ঘটনায় পুলিশের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরপুর থানার উপপরিদর্শক আবদুস সালাম প্রথম আলোকে বলেন, হামলার পর আজ ভোর পৌনে পাঁচটায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

খানপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মহির উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, আসামি গ্রেপ্তার নিয়ে এভাবে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা তাঁদের গ্রামে এই প্রথম। হামলার খবর পেয়ে গ্রামের অন্য বাসিন্দারা পুলিশকে সহযোগিতায় এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে ভোরে তাঁদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) লাল মিয়া বলেন, পুলিশের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আজ আদালতের মাধ্যমে বগুড়া কারাগারে পাঠানো হবে। সেই সঙ্গে হামলায় জড়িত অপর ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।