জামাল হোসেন মিয়া নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। আজ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হক, সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. ইশতিয়াক ও ফরিদপুর পৌরসভার মেয়র অমিতাভ বোস।

এ সম্পর্কে জামাল হোসেন মিয়া বলেন, গত মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) মির্জা আজম তাঁকে ঢাকায় ডেকে নেন। সেখানে একটি সভা হয়। ওই সভায় তাঁকে দল ও নৌকার স্বার্থে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য আবেদন জানানো হয়। পাশাপাশি তাঁকে নগরকান্দা ও সালথা আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তাঁকে আরও জানানো হয়, আগামী সম্মেলনে তাঁকে নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক করা হবে।

জামাল হোসেন মিয়া আরও বলেন, ওই সভাতেই আওয়ামী লীগ প্রার্থী শাহদাব আকবরকে আহ্বায়ক ও তাঁকে সদস্যসচিব করে নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্মেলনের সম্ভাব্য দিন ঠিক করা হয়েছে আগামী ২০ নভেম্বর।

ঢাকার ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ ইসতিয়াক। তিনি বলেন, এই উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থী পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ নেই। সভায় জামাল হোসেনকে আগামী কাউন্সিলে নগরকান্দা আওয়ামী লীগের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। পাশাপাশি জামাল হোসেন মিয়া নিজেও নির্বাচন করতে আগ্রহী ছিলেন না। কেননা তিনি জানেন, দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া কাউকে পরে দলীয় মনোনয়ন দেন না বা দলের গুরুত্বপূর্ণ কোনো জায়গায় স্থান দেন না। এসব দিক বিবেচনা করে তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে সম্মত হন।

ফরিদপুর-২ আসনটি নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা এবং সদরপুরের কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনের সংসদ সদস্য সাজেদা চৌধুরী গত ১১ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। পরে আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। ২৬ সেপ্টেম্বর ঘোষণা করা হয় উপনির্বাচনের তফসিল। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ১০ অক্টোবর। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ। ভোট গ্রহণ হবে আগামী ৫ নভেম্বর।