লাশ উদ্ধার হওয়া শিশুর নাম মো. তাওহীদ মিয়া (৯)। সে সদর উপজেলার প্রত্যন্ত চরাঞ্চল আলোকবালী ইউনিয়নের নেকজানপুর গ্রামের লিটন মিয়া ও রেখা বেগম দম্পতির ছেলে।

এর আগে গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাখরনগর বাজারসংলগ্ন মেঘনা নদীর ঘাটে মায়ের সঙ্গে গোসলে নেমে শিশুটি নিখোঁজ হয়। দ্বিতীয় দিনের মতো আজ ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য স্থানীয় ব্যক্তিদের নিয়ে অভিযান চালাচ্ছিলেন করিমপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা।

নৌ পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রেখা ও তাওহীদ মেঘনা নদীর ঘাটের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে গোসল করছিলেন। গোসল শেষে পাড়ে ওঠার সময় রেখা তাওহীদকে কোথাও না দেখতে পেয়ে চিৎকার দেন। আশপাশের লোকজন এসে নদীতে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও শিশুটির সন্ধান পাননি। খবর পেয়ে করিমপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক সুজন কুমার পণ্ডিতের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উদ্ধার অভিযান শুরু করে। আজ দ্বিতীয় দিনের মতো দিনভর উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে নৌ পুলিশের দলটি ফিরে আসার সময় তাওহীদের লাশ ভেসে ওঠে।

উপপরিদর্শক সুজন কুমার পণ্ডিত বলেন, দুই দিন ধরে চেষ্টা চালানোর পর অভিযান সমাপ্ত করে ফিরে আসার সময় শিশুটির লাশ ভেসে ওঠে। শিশুটির পরিবারের সদস্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।