লাশ
প্রতীকী ছবি

ঢাকার সাভার উপজেলার আশুলিয়া এলাকায় হাত-পা ও মুখ বাঁধা এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে লাশটি উদ্ধার করে আশুলিয়া থানা-পুলিশ। পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশের ধারণা। ঘটনার পর থেকে পাশের কক্ষের ভাড়াটের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

নিহত নারীর নাম সাহেরা বেগম (৫৫)। তিনি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পরাইখালী গ্রামের মৃত বাদশা মিয়ার স্ত্রী। তিনি আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া এলাকায় দুই কক্ষের একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন সাহেরা বেগম। ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে তিনি থাকতেন। অন্য কক্ষটি ভাড়া (সাবলেট) দিয়েছেলেন। সেই কক্ষে উজ্জ্বল নামের এক ব্যক্তি থাকতেন। সাহেরার এক মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। এক ছেলে অন্য জায়গায় থাকেন। সম্প্রতি সাহেরা একটি জায়গা কেনার জন্য চেষ্টা করছিলেন। কিছু টাকা বায়নাও দিয়েছিলেন। কয়েক দিনের মধ্যে বাকি টাকা পরিশোধের কথা ছিল।

নিহত সাহেরার মেয়ে রুমা বেগম বলেন, ‘আমার মা জমি কেনার জন্য পাঁচ লাখ টাকা জমিয়েছিলেন। মাকে হত্যার পর ঘরে টাকা, স্বর্ণালংকার ও মুঠোফোন কিছুই পাওয়া যায়নি। মায়ের পাশের রুমে উজ্জ্বল নামের একজন ভাড়া থাকতেন। সকাল থেকে তাঁর কোনো খোঁজ নেই। তাঁর মুঠোফোনও বন্ধ।’

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সোহেল মোল্লা প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পরিকল্পিতভাবে শ্বাস রোধ করে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। পাশের কক্ষের ব্যক্তিকে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য নিহত নারীর লাশ ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।