সংবাদ সম্মেলনে সুফিয়ানের বাবা আবুল কালাম বলেন, উপজেলার ভিমপুর এলাকার আবুল কালামের (কালাম ব্যাপারী) সঙ্গে একটি দোকানের জায়গা নিয়ে তাঁদের বিরোধ আছে। ওই দখল সরিয়ে নিতে প্রশাসন থেকেও কালামকে একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাঁরা দোকানঘরটি সরিয়ে নেননি। ৩ নভেম্বর রাতে কালামের ছেলে নুরুল আলম তাঁদের দোকানে আগুন লেগেছে বলে প্রচার করেন। পরে তাঁদের (প্রবাসীর পরিবার) লোকজন আগুন দেন বলে প্রচার করে নুরুল আলমের পরিবার। শুধু তা–ই নয়, নুরুল আলম বাদী হয়ে তাঁর প্রবাসী ছেলেকে প্রধান আসামি করে পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

আবুল কালাম আরও বলেন, তাঁর ছেলে ১৫ বছর ধরে লন্ডনে ব্যবসা করেন। তিন মাস আগে দেশে এসে আবার লন্ডনে চলে যান। তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয় করতে দোকানে আগুন লাগানোর নাটক সাজিয়ে থানায় মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখলে মূল রহস্য উন্মোচিত হবে। দোকানের কিছুই পোড়েনি। শুধু তাঁর প্রবাসী ছেলে ও তাঁদের পরিবারকে হয়রানি করতে থানায় মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে নুরুল আলমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গিয়াস উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তাঁরা জানতে পেরেছেন, প্রধান আসামি শাহ সুফিয়ান লন্ডনপ্রবাসী এবং তিনি ঘটনার দিন লন্ডনে ছিলেন। এখন অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।