আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি কচুয়া উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের বাবলু নামের এক ব্যক্তির সুপারিবাগান থেকে অজ্ঞাতনামা এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। একই দিন কচুয়া থানায় এ বিষয়ে একটি এজাহার দায়ের করেন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মিয়ারব হোসেন। এরপর ওই কিশোরীর পরিচয় ও হত্যাকারীকে শনাক্তে কাজ শুরু করে পুলিশ। সেই সূত্র ধরে ওই বছরের শেষের দিকে পুলিশ আমজাদ খানকে গ্রেপ্তার করে। পরের বছর ২০১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ওই হত্যা মামলায় আমজাদকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি সীতা রানী দেবনাথ বলেন, আটকের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আমজাদ খান ওই কিশোরীকে হত্যার কথা স্বীকার করে জানান, তার নাম আয়না বেগম। মুঠোফোনে পরিচয়ের সুবাদে তাঁদের মধ্যে সখ্য গড়ে ওঠে। আমজাদ ওই কিশোরীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করেন। এরপর আমজাদকে বিয়ের জন্য চাপ দেয় ওই কিশোরী। তবে স্ত্রী-সন্তান থাকায় আমজাদ তখন আয়না বেগমকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। বিষয়টি জানাজানি হলে নিজের ক্ষতি হবে ভেবে আমজাদ ওই কিশোরীকে শ্বাস রোধ করে হত্যার পর লাশ ফেলে দেন বলে স্বীকারোক্তি দেন।

আদালত মামলার অভিযোগ গঠনের পর ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আমজাদকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। মামলায় আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন বিধান চন্দ্র রায়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন