ফৌজদারহাট ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক আজম মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, সড়কটি বন্ধ রাখার বিষয়ে তাঁদের কাছে ইতিমধ্যে নির্দেশনা এসেছে। সড়কটি বন্ধ থাকাকালীন ওই সড়কে যাতায়াতকারীদের মূল শহরের ভেতর দিয়ে যেতে হবে। ফলে বাড়তি সময় লাগবে। সে জন্য যাতায়াতকারীদের পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে বের হতে অনুরোধ করেন তিনি।

ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, ওই সড়ক দিয়ে মূলত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে চট্টগ্রাম নগরের পূর্বাংশ ও দক্ষিণ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলায় চলাচলকারী গাড়ি যাতায়াত করে। এতে চট্টগ্রাম নগরের গাড়ির চাপ কম থাকে। সড়কটি বন্ধ থাকলে চট্টগ্রাম শহরের ভেতরে গাড়ির চাপ বাড়বে। ফলে সেখানে যানজট কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা আছে।