রাকিবুলের স্বজনেরা বলেন, রাকিবুলের বাবা ব্যবসার কাজে বাইরে থাকেন, মা গতকাল বড় মেয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন। বাড়িতে রাকিব একা ছিল। গতকাল রাত ৯টার দিকে রাকিব নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। আজ সকাল সাড়ে সাতটার দিকে তার চাচি রোজিনা খাতুন তাকে খাবার দিতে গিয়ে শয়নকক্ষ বন্ধ দেখতে পান। এরপর কয়েকবার ডাকাডাকি ও ঘরের দরজা ধাক্কাধাক্কি করেন। তবুও রাকিবুল সাড়া না দিলে তিনি দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে যান। ঘরের বাঁশের আড়ার সঙ্গে রাকিবুলের লাশ ঝুলতে দেখে চিৎকার দেন তিনি।

রাকিবুলের মা মোছা. রাজিয়া খাতুন বলেন, ‘আমি বাড়িতে ছিলাম না। রাতেও মোবাইলে কথা হয়েছিল। সকালে এমন খবর শুনে ছুটে এসে দেখি, ব্যাটা আর নেই। আমার ছেলে খুব ভালো। কোনো দোষ ছিল না। জানি না কী কারণে এ কাজ করেছে।’

চাচি রোজিনা খাতুন বলেন, ‘ও তো খুব ভালো ছোয়াল। রাতেও দেখা হয়েছিল। কী কারণে যে কী হলো, কিছু বুঝতেছি না।’

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, রাতে রাকিবুল একা বাড়িতে ছিল। সকালে লাশ পাওয়া গেল। বিষয়টি ভালোভাবে তদন্ত হওয়া দরকার।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোহসীন হোসাইন বলেন, তাঁরা লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।