মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে সদর থানার পুলিশ জানায়, ওই কিশোরী মা-বাবার সঙ্গে সাবেক চেয়ারম্যান বাবুল সরদারের বাসায় ভাড়া থাকত। মা একটি স্কুলে অফিস সহায়কের কাজ করেন, বাবা দিনমজুর। মেয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় তাকে বাসায় রেখে বাবা-মা দুজনেই কাজে যেতেন। গত ২৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে বাবুল সরদার ওই কিশোরীর ঘরে যান। সেখানে কিশোরীকে ধর্ষণ করেন তিনি। সন্ধ্যায় মা-বাবা বাড়িতে এলে তাঁদের ঘটনাটি বলে কিশোরী। রাতেই কিশোরীকে অসুস্থ অবস্থায় মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার এক দিন পরে মাদারীপুর সদর মডেল থানায় বাবুল সরদারকে আসামি করে ধর্ষণের মামলা করেন কিশোরীর মা। এর পর থেকেই অভিযুক্ত বাবুল সরদার পলাতক। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে তিনি গোপনে বাড়ি এসেছেন এমন খবর পেয়ে আজ সকালে বাবুল সরদারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

ধর্ষণের শিকার তরুণীর বাবা প্রথম আলোকে বলেন, ‘চেয়ারম্যান বাবুল সরদার আমার স্ত্রীকে মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন লোকজন দিয়া ভয় দেখান। কিন্তু আমরা তাঁর কথা শুনি নাই। আমার মেয়ের সঙ্গে যে অন্যায় করেছে, আমি তার বিচার চাই। কোনো আপস চাই না আমি।’

মাদারীপুর সদর থানার অধীন থাকা আঙ্গুলকাটা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক মো. নাসিরউদ্দিন আজ সকালে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক চেয়ারম্যান বাবুল সরদার গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকেই পলাতক ছিলেন। তাঁকে ধরতে একাধিকবার অভিযান চালাই আমরা। সবশেষ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে আজই আদালতে হাজির করা হবে।’