সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও খোলা থাকবে বিপিসির তেল ডিপো

তেল নেওয়ার জন্য ডিপোর সামনে দাঁড়িয়ে আছে তেল তেলবাহী লরি। গত বুধবার সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা এলাকায়ছবি: জুয়েল শীল

দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকারি ছুটির দিনেও প্রধান স্থাপনা ও ডিপো খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। নতুন এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন থেকে শুক্র ও শনিবারও বিপিসির অধীন বিপণন কোম্পানিগুলোর প্রধান স্থাপনা ও ডিপো থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে।

আজ বৃহস্পতিবার বিপিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিপিসির নির্দেশনা অনুযায়ী বিপণন কোম্পানিগুলোর প্রধান স্থাপনা খোলা রেখে নিয়মিত তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিদেশ থেকে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী নিয়মিত তেল আমদানি করা হচ্ছে। আমদানি করা এসব জ্বালানি তেল প্রধান স্থাপনা থেকে রেল ওয়াগন ও ট্যাংকারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন ডিপোতে পাঠানো হচ্ছে। সেখান থেকে ফিলিং স্টেশনসহ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়।

সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে ফিলিং স্টেশনে ভিড় বাড়তে দেখা যায়। অনেক জায়গায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় জ্বালানি তেলের বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

এ পরিস্থিতিতে সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে এর আগে ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিক্রির ওপরও সীমা নির্ধারণ করে দেয় বিপিসি। মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি ও গণপরিবহনের জন্য দৈনিক তেল বিক্রির পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়।

বিপিসির কর্মকর্তারা বলছেন, ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে জ্বালানি তেল পরিবহন ও সরবরাহ কার্যক্রম আরও দ্রুত হবে। এতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে চাপ কমবে এবং সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক হবে।

জানতে চাইলে বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা প্রথম আলোকে বলেন, তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এখন থেকে শুক্র ও শনিবারও ডিপো খোলা থাকবে। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।