আদালতের হাজতখানায় হস্তান্তরের সময় পালালেন আসামি, দুই ঘণ্টা পর গ্রেপ্তার

হাতকড়াপ্রতীকী ছবি

কুমিল্লা আদালত চত্বরে পুলিশের হেফাজত থেকে রুবেল হোসেন নামের এক আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের নিচতলায় আদালত পুলিশের হাজতখানায় হস্তান্তরের সময় তিনি পালিয়ে যান।

প্রায় দুই ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে আদালত এলাকার পাশ থেকে রুবেল হোসেনকে আবার গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

রুবেল হোসেন নাঙ্গলকোট উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের কোটালিয়া গ্রামের শাহ আলমের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে নাঙ্গলকোট থানায় নারী নির্যাতনের একটি মামলা রয়েছে। ওই মামলায় বুধবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। কুমিল্লার আদালত পুলিশের পরিদর্শক সাদেকুর রহমান এ তথ্য জানান।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ ওই মামলায় রুবেলকে আদালতে হাজির করার জন্য নাঙ্গলকোট থানার পুলিশের সদস্যরা কুমিল্লা আদালতে নিয়ে আসেন। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের নিচতলায় তাঁকে আদালত পুলিশের হাজতখানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছিল। এ সময় কৌশলে তিনি পুলিশের সদস্যদের হাত ফসকে পালিয়ে যান। রুবেলের হাতে হাতকড়া পরানো ছিল। তবে হাত সরু হওয়ায় তিনি হাতকড়া খুলে ফেলেন। এরপর আদালত চত্বর থেকে পালিয়ে যান তিনি।

ঘটনার পরপরই রুবেলকে ধরতে অভিযান শুরু করে পুলিশ। আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজ চালানো হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পর বেলা তিনটার দিকে আদালতের পাশের এলাকা থেকে রুবেলকে আবার গ্রেপ্তার করা হয়।

নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, পুনরায় গ্রেপ্তারের পর রুবেলকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। পরে আদালত তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।