জেলা বিএনপির সদস্যসচিব শাহাদাৎ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ভোলা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নুরে আলম ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবদুর রহিমের মৃত্যুর ঘটনায় শহরের গোরস্থান মসজিদে জেলা বিএনপি আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে অংশ নেন রফিকুল। অনুষ্ঠান শেষে নিজের ব্যক্তিগত গাড়িতে তিনি বরিশালে যাচ্ছিলেন। পথে শিল্পকলা একাডেমির সামনে সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করেন এবং গাড়ির ভেতর থেকে রফিকুলকে বের করে মারধর করেন। তাঁর সফরসঙ্গীদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান।

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মেহেরিন আফরোজ প্রথম আলোকে বলেন, রফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তাঁর নাকে জখম হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুল্লাহ আল মাসুদ প্রথম আলোকে বলেন, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা শোকের মাসে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত। হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগের কেউ জড়িত নন। জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রেজাউল করিম বলেন, বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ওই নেতা আহত হতে পারেন। এর সঙ্গে যুবলীগের কোনো নেতা-কর্মী জড়িত নন।

ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খলিলুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় এখনো থানায় কেউ অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে হামলার খবর পেয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ হোসেন, সদস্যসচিব শাহাদাৎ হোসেন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামীম তালুকদারসহ বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা তাঁকে দেখতে সদর হাসপাতালে ভিড় করেন। এ সময় রফিকুলের ওপর হামলার ঘটনায় তাঁরা দোষী ব্যক্তিদের বিচারের দাবি জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন