ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাবেক সংসদ সদস্য হারুন-আল-রশীদের ইন্তেকাল

হারুন-আল-রশীদছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য হারুন-আল-রশীদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত পৌনে নয়টার দিকে ঢাকার বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

হারুন-আল-রশীদ বিএনপির নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩- আসন থেকে পাঁচবারের নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। বেশ কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম বলেন, জেলার প্রবীণ রাজনীতিবিদ হারুন-আল-রশীদ দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।

জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, হারুন–আল–রশীদ ১৯৭৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে তিনি পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রথম মন্ত্রিসভায় তিনি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন। পরে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

হারুন-আল-রশীদের ভাতিজা শামিম উন বাছির প্রথম আলোকে বলেন, আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মরহুমের প্রথম জানাজা ও বাদ আসর নয়াপল্টনে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

শামিম উন বাছির জানান, তাঁর চাচার দুই ছেলে কানাডায় থাকেন। তাঁরা বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন এবং আগামীকাল শনিবার দেশে পৌঁছবেন। তাঁরা দেশে ফেরার পর মরহুমের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জানাজার সময় নির্ধারণ করা হবে।