রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নাজিম উদ্দিন আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। পলাতক নাজিম উদ্দিন রূপগঞ্জের বাসিন্দা। এ ছাড়া মামলা থেকে দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। মামলার এই রায়ে বাদীপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়েছে বলে জানা গেছে।  

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১৩ জানুয়ারি সকালে রূপগঞ্জ এলাকার ওই শিশু (১০) দর্জির দোকানে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। এর পর থেকে ওই শিশুর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরদিন ১৪ জানুয়ারি বিকেলে উপজেলার রিবাব এলাকার একটি বাঁশঝাড়ের ভেতর থেকে ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ওই শিশুর মা বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে উঠে আসে ওই শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে শিশু হত্যা মামলায় ২১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও দুজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার বাদী বলেন, তাঁর মেয়েকে আসামিরা ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। তিনি এই রায়ে সন্তুষ্ট নন। এ রায়ের বিরুদ্ধে তাঁরা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।