দণ্ডপ্রাপ্ত তিনজন হলেন পাবনা জেলা সদরের চরতারাপুর ইউনিয়নের দীঘি গোহাইল বাড়ি এলাকার মন্টু প্রামাণিক, সাহেব মোল্লা ও নওজেস প্রামাণিক। রায় ঘোষণার সময় তাঁরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ সূত্রে জানা যায়, দীঘি গোহাইল বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গ্রামের মাহাতাব উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের বিরোধ চলছিল। এর জেরেই ২০০৮ সালের ১৬ মার্চ সকালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মাহাতাব উদ্দিন আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহত মাহাতাবের ভাতিজা আবু বক্কর সিদ্দিকী বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটির তদন্ত শেষে পুলিশ ১২ জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। আদালত মামলাটির দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও নয়জনকে বেকসুর খালাস দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি দেওয়ান নাজমুল বলেন, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল। আদালতে বিষয়টি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।

আসামিপক্ষের আইনজীবী সনৎ কুমার সরকার বলেন, ‘আমার মক্কেলরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব।’