দণ্ডপ্রাপ্ত মো. হেদায়েত শেখের বাড়ি লোহাগড়া উপজেলার কাশীপুর ইউনিয়নের পদ্মবিলা গ্রামে। তিনি পেশায় মাংস ব্যবসায়ী। বর্তমানে তিনি পলাতক আছেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি রাত আটটায় হেদায়েত শেখের বাড়ির পাশে গমখেতে গৃহবধূ মমতাজ বেগমকে হত্যা করা হয়। পরদিন সকালে গমখেত থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত মমতাজ বেগমের গলা কাটা ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।

হত্যাকাণ্ডের পর হেদায়েত শেখের কাপড়ে রক্তের দাগ দেখে সন্দেহ করেন তাঁর ছেলে রবিউল শেখ।

ঘটনার পরদিন রবিউল শেখ বাদী হয়ে হেদায়েত শেখকে আসামি করে লোহাগড়া থানায় হত্যা মামলা করেন। গ্রেপ্তার হওয়ার পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হেদায়েত শেখ স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। এরপর আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে পালিয়ে যান হেদায়েত। পুলিশ তদন্ত শেষে হেদায়েত শেখ, তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী আঞ্জু আরা ও ছোট ভাই খলিল শেখের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি নূর মোহাম্মদ বলেন, আদালত ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও শুনানি শেষে হেদায়েতকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অন্য দুজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।