শান্তি দোষাদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘গতকাল সন্ধ্যার দিকে আমার মেয়ে চা বানিয়েছিল। চা খাওয়ার পর মনে হয়েছে নাক-মুখ দিয়ে গ্যাসের মতো বের হচ্ছে। পরে দেখি আমার পরিবারের পাঁচজনেরই একই সমস্যা। আমার বড় ছেলে হঠাৎ করে বমি করতে শুরু করে। আমি আমার প্রতিবেশীর বাসায় সাহায্য করার কথা বলতে গিয়ে সেখানে মাথা ঘুরে পড়ে যাই। পরে প্রতিবেশীরা আমাদের হাসপাতালে নিয়ে আসে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের রান্নাঘরের জানালা দিয়ে কেউ হয়তোবা চেতনানাশক কিছু খাবারে দিয়ে দিয়েছে। আমরা সেটা খেয়েই অসুস্থ হয়েছি। চা তো আমরা রোজ খাই। আমার মনে হয়, কেউ শত্রুতা করে খাবারে কিছু মিশিয়ে দিয়ে ক্ষতি করতে চেয়েছে।’

শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তা অজন্তা দেবী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে শিশুসহ পাঁচজন ভর্তি হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা একটু খারাপ ছিল। অন্যরা কথাবার্তা বলতে পারছিলেন। কিছুটা সুস্থ লাগছিল। কী খেয়ে তাঁরা অসুস্থ হয়েছেন, সেটা বোঝা যাচ্ছে না। তবে লক্ষণ দেখে মনে হচ্ছে ঘুমের ওষুধজাতীয় কিছু খেয়ে তাঁদের এমনটা হয়েছে।’