কক্সবাজারের সুগন্ধা সৈকতে বালিয়াড়ির ওপর দিয়ে সড়ক, পরিবেশকর্মীদের ক্ষোভ

কক্সবাজারের প্রতিবেশ সংকটাপন্ন সুগন্ধা সৈকতের বালিয়াড়ি ভরাট করে চলছে পৌরসভার সড়ক প্রকল্প। গতকাল রোববার বিকেলেছবি-: প্রথম আলো

কক্সবাজার শহরের সুগন্ধা সৈকতের বালিয়াড়ি ভরাট করে শহর রক্ষা বাঁধ ও সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হওয়া সত্ত্বেও পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হচ্ছে বলে দাবি পরিবেশ অধিদপ্তরের।

প্রকল্পটির কাজ বন্ধ রাখার দাবিতে গতকাল রোববার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)। পরিবেশ আইন ও উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকায় এই সড়ক নির্মাণের কাজ কেন বন্ধ করা হবে না জানতে চেয়ে গতকাল আইনি নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। দুই সচিবসহ আট সরকারি কর্মকর্তাকে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

ইসিএ অধিভুক্ত সমুদ্রসৈকত এলাকায় বড় ধরনের সড়ক প্রকল্প বাস্তবায়ন করার আগে পরিবেশ ছাড়পত্র বাধ্যতামূলক। কিন্তু সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত সড়ক নির্মাণের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র কেউ নেয়নি।
মো. জমির উদ্দিন, পরিচালক (কক্সবাজার), পরিবেশ অধিদপ্তর।

এদিকে পরিবেশ অধিদপ্তরও প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকায় সড়ক নির্মাণের বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষের কাছে কৈফিয়ত তলব করেছে। তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রকল্পের নথি উপস্থাপনের জন্য গত শনিবার নোটিশ পাঠায় পরিবেশ অধিদপ্তর।

৬৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়ক উন্নয়ন ও শহর রক্ষা বাঁধ প্রকল্পের বাস্তবায়ন হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে কক্সবাজার পৌরসভা। অর্থায়ন করছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)।

গতকাল রোববার দুপুরে সুগন্ধা সৈকতে নেমে দেখা গেছে, সমুদ্রতীর–সংলগ্ন বালিয়াড়ি ভরাট করে দক্ষিণ দিকে প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ (মাটির কাজ) করা হয়েছে। কয়েকজন শ্রমিক পূর্বপাশে পানি চলাচলের নালার ওপর কালভার্ট নির্মাণ করছেন। কিছুটা দূরে একটি খননযন্ত্র দিয়ে স্তূপ করে রাখা বালু সমান করতে দেখা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শ্রমিক জানান, সাত-আট দিন ধরে সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে। মাটির কাজ শেষ করতে আরও কয়েক দিন লাগবে। এরপর সড়কের দুই পাশে গাইডওয়াল এবং ওপরে ঢালাইয়ের কাজ শুরু হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বালিয়াড়িতে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে সবুজ সাগরলতা। বালু দিয়ে ভরাটের কারণে কয়েকটি জায়গায় সাগরলতা চাপা পড়েছে। আবার কয়েকটি জায়গায় খননযন্ত্র দিয়ে বালুর স্তূপ সমান করায় সাগরলতা উপড়ে পড়েছে। সড়কের পশ্চিম পাশে ৪০-৫০ ফুট দূরত্বেই সাগর। জোয়ারের সময় সাগরের পানি বাঁধে এসে লাগবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন ব্যবসায়ী জানান, সাত দিন আগেও সুগন্ধা সৈকতে ১০-১২টি বড় বড় বালুর টিবি (স্থানীয় ভাষায় ডেইল) ছিল, খননযন্ত্র দিয়ে টিবিগুলো কেটে সমান করে ফেলা হয়েছে। সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস থেকে এসব টিবি ও সাগরলতা উপকূলকে রক্ষা করত। লাল কাঁকড়ার আবাসস্থলও ছিল এসব টিবি।

সড়ক নির্মাণ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বেসরকারি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স (এনডিই)। প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শাহীন মিয়া বলেন, নিয়মনীতি মেনেই সড়কের নির্মাণকাজ চলছে। পরিবেশের ছাড়পত্রের বিষয়ে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ জানে।

জানতে চাইলে কক্সবাজার পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী রুমেল বড়ুয়া বলেন, ‘পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিয়েই সুগন্ধা সৈকতে শহর রক্ষা বাঁধের কাজ শুরু করা হয়েছে। প্রকল্পটি আগেই একনেকে পাস হয়েছে। জরিপ-নকশা, গবেষণা-পরিবেশ ছাড়পত্র না থাকলে এই প্রকল্প একনেকে কীভাবে পাস হলো।’

প্রকৌশলী রুমেল বড়ুয়া জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে কলাতলীর সায়মন বিচ রিসোর্ট পর্যন্ত ১ দশমিক ২ কিলোমিটারের ‘শহর রক্ষা বাঁধের’ কাজ শুরু হয়েছে। সড়কের প্রস্থ হবে ২৮ মিটার। কাজের বিপরীতে জাইকা বরাদ্দ দিয়েছে ৬৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। প্রথম ধাপের এই কাজ শেষ হলে দ্বিতীয় ধাপে সায়মন বিচ রিসোর্ট থেকে দক্ষিণ দিকে বেলি হ্যাচারি পর্যন্ত আরও ১ দশমিক ৬ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ করা হবে। দ্বিতীয় ধাপের কাজের জন্যও শতকোটি টাকা প্রয়োজন হবে। মানুষের প্রয়োজন এবং সমুদ্রের ভাঙন থেকে উপকূল রক্ষার স্বার্থে পৌরসভা শহর রক্ষা বাঁধ বাস্তবায়ন করছে। তাতে পরিবেশের তেমন ক্ষতি হবে না। প্রথম ধাপের কাজ শেষ হবে ২০২৭ সালের ৫ অক্টোবর।

সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের কাজ চলছে। গতকাল বিকেলে তোলা
ছবি: প্রথম আলো

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের পরিচালক মো. জমির উদ্দিন বলেন, ‘ইসিএ অধিভুক্ত সমুদ্রসৈকত এলাকায় বড় ধরনের সড়ক প্রকল্প বাস্তবায়ন করার আগে পরিবেশ ছাড়পত্র বাধ্যতামূলক। কিন্তু সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত সড়ক নির্মাণের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র কেউ নেয়নি। সুগন্ধা সৈকতে সড়ক নির্মাণের বিপরীতে থাকা তথ্যপ্রমাণ-কাগজপত্র তিন দিনের মধ্যে উপস্থাপন করতে প্রকল্পের পরিচালক ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে লিখিত নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সময়সীমার মধ্যে জবাব না পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী দেশে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন ১৩টি এলাকার (ইসিএ) একটি কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত। ইসিএ আইনমতে, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করে এমন যেকোনো স্থায়ী বা অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ, শিল্পকারখানা স্থাপন, মাটি, পানি ও বায়ুর প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন বা নষ্ট করতে পারে, এমন সব কাজ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

কক্সবাজারের পরিবেশবাদী সংগঠন ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটির (ইয়েস) চেয়ারম্যান মুজিবুল হক বলেন, ‘নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্র, নিউজিল্যান্ডসহ বিশ্বের বেশ কিছু দেশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং উপকূলীয় ক্ষয়রোধ করতে প্রাকৃতিক উপায়ে সৈকতে বালুর টিবি সৃষ্টি করতে কোটি কোটি টাকা খরচ করছে। কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের ভাঙনরোধ এবং পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে প্রাকৃতিক সুরক্ষাব্যবস্থা হিসেবে এসব টিবি সৃষ্টি করা হয়েছিল। এখন সড়ক প্রকল্পের নামে সেগুলো ধ্বংস করা হচ্ছে।’

বাপা কক্সবাজার জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেন, কক্সবাজার সৈকতে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ না করা এবং স্থায়ী ও অস্থায়ীভাবে নির্মিত সব স্থাপনা ভেঙে ফেলার বিষয়ে উচ্চ আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। এ ছাড়া ২০১৩ সালে কক্সবাজারের একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করে সরকার। ওই মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী কক্সবাজার পৌরসভা এলাকার জোয়ার-ভাটার মধ্যবর্তী লাইন থেকে সৈকতসংলগ্ন প্রথম ৩০০ মিটার ‘নো ডেভেলপমেন্ট জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই জোনে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। অথচ সেই সৈকতের বালিয়াড়ি ভরাট ও দখল করে সড়ক নির্মাণ দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক। এ কার্যক্রম বন্ধ করা না হলে কঠোর আন্দোলন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি

সুগন্ধা সৈকতের বালিয়াড়ি ভরাট ও দখল করে নির্মিত সড়ক বন্ধ, সৈকতের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং উপকূলীয় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়ে গতকাল রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পাঠিয়েছে বাপা।

স্মারকলিপিতে ৬ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবির মধ্যে রয়েছে—অবিলম্বে সুগন্ধা সড়কের নির্মাণকাজ বন্ধ করা; সৈকতকে ঘিরে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বাস্তবায়ন; সৈকতের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ; সৈকতের বালিয়াড়িতে প্রকল্প গ্রহণের আগে পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন (ইআইএ) ও বিশেষজ্ঞ মতামত বাধ্যতামূলক করা; বালিয়াড়ি, সামুদ্রিক কাছিমের প্রজননক্ষেত্র ও উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ পরিকল্পনা গ্রহণ এবং পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

বাপা কক্সবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক করিম উল্লাহ বলেন, ‘কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত দেশের অমূল্য সম্পদ। প্রতিবছর ৭০-৮০ লাখ পর্যটক এই সৈকতের সৌন্দর্য দেখতে ছুটে আসেন। কতিপয় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কারণে এই সৈকতের ক্ষতি করতে দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে কক্সবাজারবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সড়ক নির্মাণ বন্ধ করা হবে।’

বেলার আইনি নোটিশ

সুগন্ধা সৈকতের সড়ক নির্মাণ প্রকল্প অবিলম্বে বন্ধ করতে দুই সচিবসহ আটজন সরকারি কর্মকর্তাকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। গতকাল রোববার বিকেলে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠিয়েছেন বেলা নিযুক্ত আইনজীবী জাকিয়া সুলতানা।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ পর্যটক করপোরেশনের চেয়ারম্যান, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, কক্সবাজার পৌরসভার প্রশাসককে এই নোটিশ পাঠানো হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের অন্যতম আকর্ষণ বিচিত্র প্রজাতির কচ্ছপ, লাল কাঁকড়া ও সাগরলতা। কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সৈকতের ১০ হাজার ৪৬৫ হেক্টর এলাকার প্রাণবৈচিত্র্য, নির্মল জলরাশি এবং পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষার জন্য সরকার ১৯৯৯ সালে এসব এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে। যেখানে নিষিদ্ধ করা হয়েছে উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংসকারী সব কার্যক্রম।

নোটিশে বলা হয়, ২০১৯ সালের ৯ ডিসেম্বর হাইকোর্ট বিভাগ দখল ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ থেকে ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত রক্ষায় অবৈধ স্থাপনাসমূহ উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। সেই সঙ্গে আদালত কক্সবাজার পৌরসভার সমুদ্রতীরবর্তী ৩০০ মিটার ও পৌরসভাবহির্ভূত নিয়ন্ত্রিত জোনের ৫০০ মিটার এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণ বন্ধ এবং পর্যাপ্তসংখ্যক ঝাউগাছ রোপণ করার নির্দেশ দেন। সুস্পষ্ট আইন নিষেধাজ্ঞা ও উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে হোটেল সায়মন পর্যন্ত প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকায় সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। তাতে সৈকত রক্ষার প্রাকৃতিক ঢাল বালুর ডেইল গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং ধ্বংস করা হয়েছে সাগরলতা, লাল কাঁকড়াসহ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য।

নোটিশে সুগন্ধা সৈকতের সড়ক প্রকল্প অনতিবিলম্বে বন্ধের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ভরাট করা বালিয়াড়ি ও ধ্বংসপ্রাপ্ত সাগরলতাসহ জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থল পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। সেই সঙ্গে সমুদ্রসৈকতের প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকায় এবং নো ডেভেলপমেন্ট জোনে নির্মিত সব স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপ নোটিশ প্রেরণের পাঁচ দিনের মধ্যে নোটিশদাতাকে অবহিত করতে অনুরোধ জানানো হয়। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।