প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, বহরে হামলার পরে ইশরাক হোসেনের সফরসঙ্গীরা জড়ো হয়ে মাহিলাড়া মডার্ন ক্লাবের আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন এবং পিটিয়ে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১৫ নেতা-কর্মীকে আহত করেন। পিটুনিতে তাঁদের কয়েকজনের মাথা ফেটে রক্ত বের হতে দেখা যায়।

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক দেওয়ান আব্দুস সালাম প্রথম আলোকে বলেন, আহত ৫ জন যুবলীগ নেতাকে গৌরনদী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে তিন জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। রাসেল রারিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। বিলাশ কবিরাজের মাথায় ১১টি সেলাই দেওয়া হয়েছে।

ইশরাক হোসেনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ইসতিয়াক আজিজ উলফত বলেন, মাহিলাড়া এলাকায় ইশরাক হোসেনের গাড়িবহরে হামলা চালিয়ে ৭টি গাড়ি ভাঙচুর ও ১০ জনকে আহত করেছেন স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

মাহিলাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রাসেল রারি বিএনপি নেতার বহরে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা মাহিলাড়া মডার্ন ক্লাবে ২০ থেকে ২৫ জন নেতা-কর্মী আড্ডা দিচ্ছিলাম। সকাল সাতটার দিকে ইশরাক হোসেন প্রায় শতাধিক মাইক্রোবাস নিয়ে বরিশাল যাওয়ার পথে আমাদের ক্লাবে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এ সময় ইশরাকের সঙ্গে থাকা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা বিলাশ কবিরাজ, মো. সহিদুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা পলাশ কবিরাজ, আলীম হোসেন খান, ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি রাসেল সেরনিয়াবাত, আমাকেসহ কমপক্ষে ১৫ জনকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে। গুরুতরভাবে আহত পাঁচজনকে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁরা মডার্ন ক্লাবে ভাঙচুরের পাশাপাশি আমার নেতা-কর্মীদের ১০টি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করেছন।’

গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফজাল হোসেন বলেন, বিষয়টি শুনেছেন তিনি। পুলিশ ঘটনাস্থলে আছে। খোঁজখবর নিয়ে এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।