মহাসড়কের পাশে বাঁশ দিয়ে ঠেকানো হয়েছে হেলে পড়া বৈদ্যুতিক খুঁটি, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

হেলে পড়া বৈদ্যুতিক খুঁটিটিকে বাঁশ দিয়ে ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের শেরপুর উপজেলার মহিপুর এলাকায়প্রথম আলো

বগুড়ার শেরপুরে মহাসড়কের পাশে হেলে পড়েছে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি। কয়েকটি বাঁশ দিয়ে সেটি ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এই খুঁটির পাশ দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের শত শত যানবাহন। শেরপুরের গাড়িদহ ইউনিয়নের মহিপুর এলাকায় মহাসড়কের পূর্ব পাশে এই ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটির অবস্থান। এক সপ্তাহ ধরে সেটি মহাসড়কের দিকে হেলে রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে সেখানে গিয়ে কথা হয় স্থানীয় জাহাঙ্গীর ইসলাম ও সাইফুল ইসলামের সঙ্গে। তাঁরা জানান, আবদুল আলিম নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি মহাসড়কের পূর্ব পাশে তাঁর জমির ওপর একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন। ঈদুল ফিতরের তিন দিন আগে ভবনের নির্মাণকাজের সময় ওই বৈদ্যুতিক খুঁটির পাশে গর্ত করা হয়। এতে নিচের মাটি আলগা হয়ে খুঁটিটি মহাসড়কের দিকে হেলে পড়ে। হেলে পড়া খুঁটিটি যেন পড়ে না যায়, সে জন্য কয়েকটি বাঁশ দিয়ে ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে। বাঁশ ভেঙে পড়লে খুঁটিটি মহাসড়কের ওপর পড়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

পথচারী লিয়াকত আলী বলেন, খুঁটিটি মহাসড়কের দিকে হেলে পড়লে বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন এসে বাঁশ দিয়ে ঠেকিয়ে রেখেছেন। লোহা ও সিমেন্টের তৈরি এই খুঁটি যেকোনো সময় বাঁশ ভেঙে মহাসড়কের ওপর পড়ে যেতে পারে।

ইজিবাইকচালক সোলায়মান আলী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এই খুঁটির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বেশির ভাগ গাড়িচালক দুর্ঘটনার ভয়ে দ্রুত গাড়ি চালান। এতেও দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে নির্মাণাধীন ভবনের মালিক আবদুল আলিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ওই খুঁটি থেকে অন্তত পাঁচ ফুট দূরে তাঁর ভবনের নির্মাণকাজ চলছে। নির্মাণকাজের জন্য গর্ত খোঁড়া শুরু করলে ওই খুঁটি মহাসড়কের দিকে হেলে পড়ে। এ বিষয়ে তিনি শেরপুরের নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে যোগাযোগ করেছেন।

নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবদুল্লাহ আল ফারুক জানান, এটি ১১ হাজার ভোল্টের ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইন। খুঁটির হেলে পড়ার বিষয়ে তিনি জানেন। ঠিকাদারের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক খুঁটিটি মেরামতের উদ্যোগ নেবেন বলে তিনি জানান।