ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টঙ্গী পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বে থাকা উপপরিদর্শক (এসআই) ছোটন শর্মা প্রথম আলোকে বলেন, টঙ্গীর তুরাগতীরের বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব উপলক্ষে রোববার সকাল থেকেই টঙ্গী থেকে বিশেষ ট্রেন চলছিল। বেলা পৌনে একটায় মোনাজাত শেষে মুসল্লিরা এসব ট্রেন বাড়ি ফিরছিলেন। এর মধ্যে বেলা তিনটার দিকে একটি বিশেষ ট্রেনে মুসল্লিরা বাড়ি ফিরছিলেন। এর মধ্যে হঠাৎ করেই আক্তার ট্রেনটি থেকে যাত্রীর মুঠোফোন ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন। এ সময় স্টেশনে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্য আকরাম, হুমায়ন ও সাজবীর বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আক্তার সঙ্গে থাকা ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকেন। এতে আহত হন এই তিন পুলিশ সদস্য। একপর্যায়ে তাঁকে ধরে ফেলেন তাঁরা।

ছোটন শর্মা বলেন, ‘আক্তার এলাকার চিহ্নিত ছিনতাইকারী। তাঁর বিরুদ্ধে আগেও ছিনতাইয়ের অভিযোগ আছে। এর মধ্যেই গতকাল ইজতেমার বিশেষ ট্রেনে ছিনতাই করতে যায়। এ সময় আমাদের পুলিশ সদস্যরা বাধা দিতে গেলে ধারালো ছুরি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। আহতদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’