সভার শুরুতেই শাহ সাহেদা মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এতে তিনি বলেন, সিলেটের যে আটটি স্থানে পাথরকোয়ারি অবস্থিত, সেগুলো প্রাকৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন এসব এলাকায় পাথর উত্তোলন ও স্টোন ক্রাশিং মেশিনের মাধ্যমে পাথর ভাঙায় শব্দদূষণ, নদীভাঙন, পানিদূষণ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব পড়েছে। পাশাপাশি রাস্তাঘাট, বাড়িঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পাথর উত্তোলনকালে ২০০৫ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ১০৬ শ্রমিক নিহত হয়েছেন উল্লেখ করে শাহ সাহেদা  বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে অনিয়ন্ত্রিতভাবে পাথর উত্তোলনের কারণে সিলেটের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও ভূমির ক্ষয়ক্ষতি এবং কোয়ারিগুলোতে প্রাণহানির মতো বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে কয়েক বছর ধরে পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকায় প্রকৃতি আবারও স্বস্থানে ফিরতে শুরু করেছে।

পাথর উত্তোলনের দাবিতে গতকাল সোমবার থেকে শুরু হওয়া পরিবহন ধর্মঘটকে দুঃখজনক উল্লেখ করে শাহ সাহেদা বলেন, পরিবহন ধর্মঘট আহ্বান করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো হচ্ছে। এ সময় তিনি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কমিটির মাধ্যমে সিলেটের আটটি পাথরকোয়ারিসহ সংশ্লিষ্ট জায়গায় পাথর উত্তোলনের কারণে কী কী ক্ষতি হয়েছে, তা নিরূপণের দাবি জানান।

মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের মধ্যে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আল আজাদ, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকী, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ইকরামুল কবির, হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী, চয়ন চৌধুরী, ওয়েছ খছরু, ফয়সল আহমদ, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহিত চৌধুরী, ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (ইমজা) সিলেটের সাধারণ সম্পাদক মারুফ আহমদ, সাংবাদিক গোলজার আহমদ, দ্বোহা চৌধুরী, ইয়াহইয়া মারুফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।