প্রত্যক্ষদর্শী ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সমাবেশে যোগ দিতে আসা বিএনপির নেতা-কর্মীরা ভোর থেকেই দলে দলে উপশহর মাঠে জড়ো হতে থাকেন। এ সময় শহরে মিছিল করে মুসলিম ইনস্টিটিউট ও রেলস্টেশন এলাকায় অবস্থান নেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে মুসলিম ইনস্টিটিউটের সামনে তাঁরা বিএনপির অন্তত নয়জন কর্মী ও একজন পথচারীকে বেধড়ক মারধর করেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে আহত ব্যক্তিদের পরিচয় জানাতে পারেনি বিএনপি। তবে সমাবেশস্থল শান্তিপূর্ণ ছিল।

জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রহিম নেওয়াজ বলেন, বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে গতকাল রোববার রাত থেকে সমাবেশস্থল ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা। আজ ভোর থেকে যখন বিএনপির নেতা-কর্মী সমাবেশে আসতে থাকেন, তখন অতর্কিতে তাঁদের ওপর হামলা করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপির সমাবেশের সঙ্গে তাঁদের মিছিল করার কোনো সম্পর্ক নেই। তাঁরা বিএনপির কাউকে বাধা দেননি বা মারধর করেননি। সমাবেশ করতে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি তাঁদের ওপর মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে।

সকাল ১০টার মধ্যে বিএনপির নেতা-কর্মীদের আগমনে উপশহর মাঠ ভরে যায়। বেলা ১১টার দিকে প্রধান অতিথি রুহুল কবির রিজভী সমাবেশস্থলে আসেন। রুহুল কবির রিজভী বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তারা জিততে পারবে না বলেই তাদের সন্ত্রাসীরা বিএনপির ওপর হামলা করে। শান্তিপূর্ণ মিছিল–সমাবেশে যারা হামলা করে, তারা কাপুরুষ।

পৌর বিএনপির আহ্বায়ক এমদাদুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি সাবিনা ইয়াসমিন, ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম, সদস্যসচিব রহিম নেওয়াজ, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সদস্যসচিব জিল্লুর রহমানসহ নেতারা বক্তব্য দেন।