স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার মূল হোতা দিনার উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও ধলহারাচন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) বর্তমান চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানের ছেলে। তিনি ছাত্রলীগের উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতিও ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রাত আনুমানিক রাত ১১টার সময় দিনার একই এলাকার আসাদুজ্জামান, তুষার ও সাজ্জাদ হোসেনকে নিজ বাড়িতে ডেকে আনেন। পুলিশি অভিযানে তাঁদের ক্ষতি হওয়ার বদলা নিতে হবে বলে তাঁরা পরিকল্পনা করেন। সে অনুযায়ী দুর্বৃত্তরা ধলহারাচন্দ্র ইউনিয়নের ডাউটিয়া গ্রামে মন্দিরের কালী প্রতিমাটি ভেঙে ফেলেন। এরপর মন্দির থেকে দূরে রাস্তার ওপর ভাঙা অংশটি ফেলে তাঁরা চলে যান। এ ঘটনায় মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি সুকুমার মণ্ডল বাদী হয়ে পরদিন শৈলকুপা থানায় একটি মামলা করেন।

পুলিশ সুপার আরও জানান, প্রতিমা ভাঙচুরের বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঝিনাইদহ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলকে দায়িত্ব দেওয়া হয় তদন্তের জন্য। ১২ অক্টোবর পুলিশ আসাদুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে। তাঁকে আদালতের মাধ্যমে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। তিনি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নানা তথ্য জানান। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তুষার ও সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার মূল হোতা দিনার হোসেনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ ব্যাপারে মন্দির কমিটির সভাপতি সুকুমার মণ্ডল বলেন, তাঁদের এই কালী মূর্তি শত বছরের পুরোনো। রাতের আঁধারে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা বলতে পারছেন না। তবে যাঁরাই এর সঙ্গে জড়িত থাকুক, তাঁদের উপযুক্ত বিচার দাবি করেন তিনি।

এ ব্যাপারে দিনারের বাবা মতিয়ার রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি ধরেননি।