জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন বলেন, ‘শরণখোলা উপজেলার প্রতিটি জায়গায় তাঁরা নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছেন। আজকে শরণখোলায় ছাত্রলীগের কাছে আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী পরিবার জিম্মি।’

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে খোন্তাকাটা ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন সিদ্দিক গাজী বলেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসাদ বিএনপি পরিবারের সদস্য। তাঁর আত্মীয়স্বজন, বোন, ভগ্নিপতি ও ভাগনেরা বিএনপির কর্মী-সমর্থক। আসাদ হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি। গত শুক্র ও শনিবার তাঁর নির্দেশে নারীঘটিত একটি বিষয় নিয়ে তাঁর বোন, ভগ্নিপতি–ভাগনেরা ধানসাগর এলাকার বাবুল ও ছিদ্দিক হাওলাদারকে বেধড়ক মারধর করেন। এ সময় ঠেকাতে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়। আহত অবস্থায় তাঁরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গেলে আসাদ তাঁদের মুঠোফোনে হুমকি দেন। পরে পুলিশের সহায়তায় তাঁরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। বিষয়টি থানা-পুলিশ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে শরণখোলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান ওরফে স্বপন, আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর জব্বারসহ খোন্তাকাটা ইউপির সব ওয়ার্ডের সদস্য এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগের বিষয়ে আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাঁকে হেয় করতে মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছেন। তিনি ও তাঁর পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। চাল আত্মসাৎসহ খোন্তাকাটা ইউপি চেয়ারম্যানের বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি বিরুদ্ধে কথা বলায় তাঁরা তাঁকে ও ছাত্রলীগকে জড়িয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছেন। এ ছাড়া ওই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে তাঁর ভগ্নিপতিকে উল্টো মারধরের অভিযোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, খোন্তাকাটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন বিষয়টি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে নেতাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সাংগঠনিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন