চরশেরপুর সাতানীপাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, হালিমের বাড়িসংলগ্ন পুকুরের মধ্যে পানির ওপরে কাঠ, বাঁশ, কাপড়, শামিয়ানা ও ছাতা দিয়ে একটি ঘর বানানো হয়েছে। ঘরের ভেতরে ও বাইরে নানা ধরনের ফুল ও বৈদ্যুতিক বাতি দিয়ে সাজানো। ঘরের মধ্যে খাট ও বৈদ্যুতিক পাখা আছে। পুকুরের পাড় থেকে ওই ঘরে যাতায়াতের জন্য বানানো হয়েছে বাঁশের সাঁকো।

আবদুল হালিম প্রথম আলোকে বলেন, বিয়ের তারিখ ঠিক হওয়ার পর নতুন কিছু করার কথা ভাবেন তিনি। সেই থেকেই ভাতিজা রূপন ফারাজী ও বন্ধু সোহেলকে নিয়ে পুকুরের মধ্যে পানির ওপর বাসরঘর তৈরির উদ্যোগ নেন। এক সপ্তাহ ধরে অনেক কষ্টে এটি তৈরি করেন ভাতিজা ও বন্ধু। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই আশপাশের অনেক মানুষ বাসরঘরটি দেখতে আসছে। এতে তাঁরও খুব ভালো লাগছে।

নববধূ মোর্শেদা আক্তার বলেন, স্বামীর এমন আয়োজনে তিনি মুগ্ধ। তিনি খুবই খুশি হয়েছেন। দাম্পত্যজীবনে সুখী হওয়ার জন্য তিনি সবার দোয়া কামনা করেন।

সদর উপজেলার মধ্যবয়ড়া কানাশাখোলা গ্রাম থেকে হালিমের ব্যতিক্রমী বাসরঘর দেখতে এসেছেন মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এর আগে জীবনে এমন বাসরঘর দেখিনি। এক বন্ধুর কাছে খবর পেয়ে দেখতে এসেছি। পুকুরের পানির ওপর এমন বাসরঘর সত্যিই ব্যতিক্রমী। দেখে খুব ভালো লেগেছে।’

চরশেরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সেলিম মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, হালিমের এমন বাসরঘর দেখে মানুষের মধ্যে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। পানির ওপর এমন বাসরঘরের কথা তিনি আগে কখনো শোনেননি। তিনি নবদম্পতির সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন