আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১ নভেম্বর দুপুরে আলেয়া খাতুন বাড়ির পাশে লাকড়ি কুড়াচ্ছিলেন। এ সময় টুটুল তাঁকে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। আলেয়া তাঁকে বাধা দেন এবং বিষয়টি সবাইকে জানিয়ে দেবেন বললে টুটুল তাঁকে শাড়ি দিয়ে গলা পেঁচিয়ে হত্যা করেন। পরে তাঁর লাশ পাশের একটি ধানখেতে নিয়ে লুকিয়ে রাখেন।

ঘটনার পাঁচ দিন পর ৬ নভেম্বর পুলিশ সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে টুটুলকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। টুটুল হত্যা ও লাশ গুমের কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। পরে পুলিশ গিয়ে ধানখেত থেকে নিহত গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় নিহত আলেয়া খাতুনের মেয়ে সাবানা আক্তার বাদী হয়ে টুটুল হোসেনকে আসামি করে ৭ নভেম্বর সাঁথিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি টুটুলকে আসামি রেখে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ কৌঁসুলি খন্দকার আবদুর রকিব বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। রায়ের সময় টুটুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন