মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালের ২৯ মে স্ত্রী শিবানী রানী শাখারী একটি এনজিও থেকে ১০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে তাঁর স্বামী বিবেক শাখারীর হাতে তুলে দেন। বিবেক শাখারীর জুয়া খেলার সঙ্গী মহানন্দ তালুকদারসহ অন্যরা ওই টাকা ছিনিয়ে নিতে তাঁকে অপহরণ করেন। পরে তাঁকে হত্যা করে লাশ একটি পাটখেতে ফেলে রাখা হয়। পরদিন পুলিশ বিবেকের লাশ পাটখেত থেকে উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় নিহত বিবেকের ভাই বিনয় শাখারী বাদী হয়ে একই বছরের ৩০ মে মহানন্দ তালুকদারসহ চারজনকে আসামি করে মুকসুদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ ২০০৮ সালের ১১ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। শুনানি ও সাক্ষ্য–প্রমাণ শেষে আদালত এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।