মকসুদের ব্যক্তিগত গাড়ির চালক মোহাম্মদ পলাশ বলেন, গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে র‍্যাবের বেশ কয়েক সদস্য মকসুদের বাড়ি ঘিরে ফেলেন। এ সময় মকসুদসহ তাঁরা সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। পরে ভোররাত চারটার দিকে মকসুদকে আটক করে র‍্যাব সদস্যরা তাঁদের কার্যালয়ে নিয়ে যান। মকসুদের বিরুদ্ধে একাধিক রাজনৈতিক মামলা থাকলেও এসব মামলায় তিনি জামিনে রয়েছেন বলে পলাশ দাবি করেছেন।

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, মকসুদকে পুলিশ আটক করেনি। মকসুদকে আটক করার কোনো তথ্যও তাঁর কাছে নেই।

এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর সিলেট জেলা যুবদলের সম্মেলন শেষে কাউন্সিলে ভোটের মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন মকসুদ আহমদ। এদিকে মকসুদকে ‘তুলে নিয়ে যাওয়ার’ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে সিলেট জেলা বিএনপি। কোনো ধরনের মামলা ছাড়াই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচয়ে মকসুদকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে ওই বিবৃতিতে দাবি করেছেন জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী। তাঁরা বলেন, অবিলম্বে তাঁকে আদালতে প্রেরণ করা হোক।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রাজপথে সরব থাকা জেলা যুবদলের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদককে নিজ বাড়ির দরজা ভেঙে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ায় আমরা খুবই উদ্বিগ্ন।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন