কার্নেল ফ্যাক্টরিতে (মিশ্রণ মিল) চালে ছয় ধরনের পুষ্টি সংযুক্ত করে তা জনসাধারণের কাছে খাদ্য অধিদপ্তর বিতরণ করছে বলে জানিয়েছেন সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, কৃষকবান্ধব বর্তমান সরকার কৃষকের জন্য সার, বিদ্যুৎসহ কৃষি উপকরণে ভর্তুকি দিচ্ছে। যথাযথ পরিকল্পনার মাধ্যমে উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন করায় কৃষকের চাষাবাদ সহজ করে দিয়েছে। ফলে দেশ খাদ্যে প্রায় স্বয়ংসম্পন্ন। এখন নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষক অনেক সময় না বুঝে তাঁর উৎপাদিত শাকসবজি ও ফলমূলে যথেচ্ছভাবে কীটনাশক ব্যবহার করেন। কীটনাশকের সাইড ইফেক্ট সম্পর্কে অবহিত না হওয়া এবং যথেচ্ছভাবে ফসলে কীটনাশক ব্যবহারের ফলে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। অনেক কৃষক কীটনাশক ব্যবহারের কত দিন পর সেই ফসল বাজারজাত করা যায়, তা–ও জানেন না। কৃষককে সচেতন করতে সরকারের সব বিভাগ কাজ করছে।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, উত্তরাঞ্চলে একসময় ধান উৎপাদন কম হতো, তামাক চাষ হতো বেশি। তখন নিরাপদ আর পুষ্টিকর খাবারের কথা চিন্তা করা হয়নি। টাকা উপার্জন আর পেট ভরাই তখন ছিল মূল লক্ষ্য। সরকারের যথাযথ পরিকল্পনার ফলে এখন বাংলাদেশ খাদ্যে প্রায় স্বয়ংসম্পন্ন। বর্তমানে সরকার জনগণকে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দিতে কাজ করছে।

নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদ, ভাইস চেয়ারম্যান আইউব হোসাইন মণ্ডল ও নাদিরা বেগম, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা চিন্ময় প্রামাণিক প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন