এদিকে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। সিলেটের নদ-নদীগুলোর পানি একটি পয়েন্ট ছাড়া বাকিগুলো বিপৎসীমার নিচে নেমেছে।

সিলেট আবহাওয়া কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী শনিবার পর্যন্ত এমন খরতাপ অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দিনের পর রাতের বেলা গত কয়েক দিনের মতোই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শনিবার থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর পর থেকে খরতাপ কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাওরে পানি থাকার কারণে পানি নামতে সময় লাগছে।

সিলেটের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপের প্রভাবে এমনটি হচ্ছে। এটি আরও ঘনীভূত হচ্ছে। এর কারণে উত্তপ্ত আবহাওয়া বিরাজ করছে। আগামী শনিবার থেকে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। ওই দিন থেকেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, সিলেটের সুরমা, কুশিয়ারা ও সারি নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার নিচে নেমেছে। তবে শুধু কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টের পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে।

পাউবো সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী আসিফ আহমেদ বলেন, সিলেটে নদ-নদীর পানি কমছে। কুশিয়ারা নদীর পানি কমলেও সেটি দ্রুতগতিতে নামছে না। সিলেটের নদ-নদীর পানিগুলো সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাওর দিয়ে নামে। সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাওরে পানি থাকার কারণে পানি নামতে সময় লাগছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন