খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৫২ সদস্যের ওই কমিটিতে সহসম্পাদক পদ পেয়েছে সানজিদ মাহমুদ, রিয়ান জোমাদ্দার ও মো. হাসান হাওলাদার। তাদের মধ্যে সানজিদ ও রিয়ান তালতলী সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম ও ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।

আর হাসান হাওলাদার তালতলী সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে পড়ে। ওই কমিটির উপগণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদকের পদ পাওয়া আরাফাত জোমাদ্দারও তালতলী সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। আর সহসম্পাদক পদ পাওয়া মো. রনি খান ও ইমরান খান গত বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। বর্তমানে তারা কড়ইবাড়িয়া টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।

তালতলী সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পরিমল সরকার বলেন, রিয়ান, সানজিদ ও আরাফাত তাঁদের বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ, অষ্টম ও দশম শ্রেণির ছাত্র। তবে তারা উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে পদ পেয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই।

উপজেলা ছাত্রলীগের কর্মী সাদ্দাম ব্যাপারী প্রথম আলোকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রলীগ করছেন। তাঁর মতো আরও অনেক কর্মী আছেন, যাঁরা নিঃস্বার্থভাবে ছাত্রলীগ করেন। কিন্তু তাঁদের পদে না রেখে স্কুলপড়ুয়া ছাত্রদের কমিটিতে রাখা হয়েছে। এটা ছাত্রলীগের জন্য লজ্জাজনক বলে তিনি মন্তব্য করেন।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সরোয়ার হোসেন বলেন, জেলা ছাত্রলীগের নির্দেশেই কমিটিতে শিশুদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখন বিষয়টি নেতাদের জানানো হবে।

আমতলী উপজেলা ছাত্রলীগেরও পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে মাহাবুবুল ইসলামকে সভাপতি ও আবদুল্লাহ আল মামুনকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৩১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ওই কমিটিতেও স্কুলপড়ুয়া ছাত্র স্থান পেয়েছে। উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য পদ পেয়েছে মো. আদনান সামী। সামী ছোট নীলগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় নবম শ্রেণির ছাত্র।

এ বিষয়ে বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সদ্য বিদায়ী সভাপতি জুবায়ের আদনান বলেন, কেন্দ্রের নির্দেশে ওই কমিটি দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া যেদিন তালতলী উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি দেওয়া হয়, তার পরের দিন জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন ছিল।

জেলা ছাত্রলীগের সদ্য ঘোষিত কমিটির সভাপতি মো. রেজাউল কবির বলেন, ‘আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে আজ বুধবার বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে কার্যক্রম শুরু করব। তারপর এ বিষয়ে বসে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন