সেই বিলাসপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ককটেলসদৃশ ৪৫টি বস্তু উদ্ধার

জাজিরার বিলাসপুরে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে ককটেলসদৃশ বস্তু, ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও ধারালো দেশি অস্ত্র উদ্ধার করেছবি: সংগৃহীত

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই ব্যাপারীকান্দি ও চেরাগআলী ব্যাপারীকান্দি গ্রামে অভিযান চালিয়েছে যৌথ বাহিনী। ওই অভিযানের সময় ককটেলসদৃশ ৪৫টি বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ককটেল তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম ও কয়েকটি ধারালো দেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওই দুটি গ্রামে অভিযানে যায় পুলিশ, সেনাবাহিনী, সেনাবাহিনীর ডগস্কোয়াড ও অ্যান্টি টেররিজমের বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট।

গত বৃহস্পতিবার ভোররাতে মুলাই ব্যাপারীকান্দি গ্রামে একটি বসতঘরের মধ্যে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ওই ঘটনায় ৫৩ জনকে আসামি করে বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা করেছেন জাজিরা থানার এক উপপরিদর্শক। পরে গত শুক্রবার সকালে পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের বম্ব জিসপোজাল ইউনিট ও সিআইডির ক্রাইমসিন বিভাগ বিস্ফোরণ হওয়া ঘরে তল্লাশি চালিয়ে ককটেল তৈরির বিভিন্ন উপাদান উদ্ধার করেছে। ওই সব উপাদান দিয়ে অন্তত ১০০ ককটেল বানানো সম্ভব।
পুলিশ জানায়, জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই ব্যাপারীকান্দি গ্রামে গত বৃহস্পতিবার ভোররাতের দিকে একটি বসতঘরের মধ্যে ককটেল তৈরি করছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারীর সমর্থকেরা। ককটেল তৈরি করার সময় ওই ঘরে বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজন আহত হন। ওই দিন সকালে সোহান ব্যাপারী নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলের পাশের একটি ফসলি জমিতে তাঁর লাশ পাওয়া যায়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার বিকালে নবীন হোসেন নামের আরেকজনের মৃত্যু হয়।
নিহত সোহান চেরাগআলী ব্যাপারীকান্দি গ্রামের দেলোয়ার হোসেন ব্যাপারীর ছেলে ও নবীন হোসেন রহিম সরদারের ছেলে।
ওই ঘটনায় জাজিরা থানার উপপরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারী ও তাঁর তিন ভাইসহ ৫৩ ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে ও ১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেছেন। ঘটনার পর সোমবার এলাকায় ককটেল ও বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়েছে।
জানতে চাইলে শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানভীর হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘পুলিশ, সেনাবাহিনী ও সেনাবাহিনীর ডগস্কোয়াড এবং অ্যান্টি টেররিজম বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট যৌথভাবে অভিযান চালিয়েছে। বিলাসপুরের যেসব এলাকা সংঘাতপূর্ণ, সেই এলাকা চিহ্নিত করে অভিযান চালানো হয়েছে। বিভিন্ন স্থান থেকে ককটেলসদৃশ বস্তু, ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও কিছু ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করেছি। আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

পুলিশ জানায়, জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই ব্যাপারীকান্দি গ্রামে গত বৃহস্পতিবার ভোররাতের দিকে একটি বসতঘরের মধ্যে ককটেল তৈরি করছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারীর সমর্থকেরা। ককটেল তৈরি করার সময় ওই ঘরে বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজন আহত হন। ওই দিন সকালে সোহান ব্যাপারী নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলের পাশের একটি ফসলি জমিতে তাঁর লাশ পাওয়া যায়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার বিকালে নবীন হোসেন নামের আরেকজনের মৃত্যু হয়।

নিহত সোহান চেরাগআলী ব্যাপারীকান্দি গ্রামের দেলোয়ার হোসেন ব্যাপারীর ছেলে ও নবীন হোসেন রহিম সরদারের ছেলে।

ওই ঘটনায় জাজিরা থানার উপপরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারী ও তাঁর তিন ভাইসহ ৫৩ ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে ও ১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেছেন। ঘটনার পর সোমবার এলাকায় ককটেল ও বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়েছে।

জানতে চাইলে শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানভীর হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘পুলিশ, সেনাবাহিনী ও সেনাবাহিনীর ডগস্কোয়াড এবং অ্যান্টি টেররিজম বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট যৌথভাবে অভিযান চালিয়েছে। বিলাসপুরের যেসব এলাকা সংঘাতপূর্ণ, সেই এলাকা চিহ্নিত করে অভিযান চালানো হয়েছে। বিভিন্ন স্থান থেকে ককটেলসদৃশ বস্তু, ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও কিছু ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করেছি। আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।’