হামলার শিকার পর্যটক রুবেল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ‘আমরা বরিশাল থেকে ‘‘ছন্দা’’ নামের একটি বাসে করে কুয়াকাটায় আসছিলাম। পথে আমার শিশুসন্তান অসুস্থ হয়ে পড়লে আমার নির্ধারিত সিটে তাকে শুইয়ে রেখে আমি দাঁড়িয়ে থাকি। এ সময় বাসের সুপারভাইজার এসে দাঁড়িয়ে থাকলে বাড়তি ভাড়া গুনতে হবে বলে জানান। এ কথা প্রতিবাদ করি আমি। এ সময় ঘটনার কিছু অংশ ভিডিও করি। এতে সুপারভাইজারসহ বাসের অপর শ্রমিকেরা ক্ষিপ্ত হন।’

রুবেল মিয়া আরও বলেন, বাসটি কুয়াকাটা পৌঁছালে বাসের কয়েকজন শ্রমিক মিলে আমার ওপর হামলা চালান। এ সময় তাঁরা আমার মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন এবং গলা থেকে সোনার চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যান।’

জানতে চাইলে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার মো. আবুল খায়ের প্রথম আলোকে বলেন, ‘হামলার খবর পেয়েছি। অভিযুক্ত বাসচালক কামাল হোসেন ও বাসটির সুপারভাইজার জামাল উদ্দিনকে থানায় ডেকে আনা হয়েছিল। তবে পর্যটক পরিবারটি লিখিত অভিযোগ দিতে রাজি হয়নি। যে কারণে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি সমাধানের জন্য পদক্ষেপ নিয়েছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন