অপর দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অলিদুজ্জামান গত বৃহস্পতিবার ধর্মপাশা উপজেলা ভূমি কার্যালয়ে যোগ দেন। তিনিও দুদিন ধরে গলাব্যথায় ভুগছিলেন। গত সোমবার তিনি ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোভিড পরীক্ষার জন্য নমুনা দিলে তাঁর করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত হয়।

ওই দুজন কর্মকর্তা বর্তমানে হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সেবা নিতে আসা কয়েকজন জানান, ইউএনও ও এসিল্যান্ড উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদের কর্মকর্তাই করোনায় আক্রান্ত। এ অবস্থায় জরুরি পরামর্শ ও দাপ্তরিক কাজে তাঁদের না পাওয়ায় অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) অলিদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘গলাব্যথার কারণে আমি গত সোমবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে করোনার নমুনা দিলে আমার শরীরে কোভিড পজিটিভ ধরা পড়ে। বর্তমানে আমি উপজেলা পরিষদের রেস্টহাউসের একটি কক্ষে হোম আইসোলেশনে আছি। সেখান থেকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে দাপ্তরিক জরুরি কাজগুলো করছি। এখন আগের চেয়ে শারীরিক অবস্থার বেশ কিছু উন্নতি হয়েছে।’

ইউএনও মো. মুনতাসির হাসান প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত শনিবার ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে আমার হাঁটুর লিগামেন্ট অপারেশন করার জন্য ছুটি নিয়ে সেখানে ভর্তি হতে গিয়েছিলাম। সেখানে ভর্তি হওয়ার আগে করোনার নমুনা দিলে আমার শরীরে করোনাভাইরাসের পজিটিভ ধরা পড়ে। আমি এখন সরকারি বাসভবনে হোম আইসোলেশনে আছি। এখন শরীরে জ্বর নেই। করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় জনগণকে সরাসরি সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাধ্যমতো দাপ্তরিক কাজ করার চেষ্টা করছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন