সোহেল বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান যে রশিতে তাঁর বাবার দেহটি ঝুলছিল, সেটি গলায় ফাঁস লাগানোর মতো ছিল না। পরনের পোশাকও পরিপাটি ছিল। পায়ের জুতা দুটি পড়েছিল দুই জায়গায়। বিষয়টি তাঁর কাছে অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে। এ ছাড়া তাঁর বাবা জমিজমার যেসব কাগজপত্র নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন, সেগুলোও ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।

হাবিবুরের স্ত্রী রহিমা খাতুন বলেন, তাঁর শ্বশুরের বিপুল পরিমাণ জমিজমা (এক একরের বেশি) অন্যদের দখলে আছে। দখলকারী ব্যক্তিরা এসব জমির দাবি ছেড়ে দেওয়ার জন্য তাঁর স্বামীকে চাপ দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সময় হুমকিও দিয়েছেন। রহিমা দাবি করেন, এসব জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁর স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আকন্দ প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে। ময়নাতদন্তের জন্য কৃষকের লাশ কিশোরগঞ্জের ২৫০ শয্যার আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন আসার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। নিহত হাবিবুর রহমানের পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে মামলা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।