প্রতিযোগিতার আয়োজকেরা বলেন, আজ সকাল ছয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও গাজীপুর, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জের ২৩ জন শৌখিন মৎস্যশিকারি প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। প্রত্যেক শিকারিকে ২৫ হাজার টাকায় প্রথমে টিকিট কিনতে হয়েছে। প্রথম পাঁচ প্রতিযোগীর জন্য ছিল মোট ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা পুরস্কার।

রাকিব খান বলেন, তিনি বেলা ১১টার দিকে ৫ কেজি ২৮০ গ্রাম ওজনের একটি কাতল মাছ শিকার করেন। এর ২ ঘণ্টা পর ৪ কেজি ৬০ গ্রাম ওজনের আরেকটি কাতল মাছ শিকার করেন। তবে এরপর তিনি আর কোনো মাছ ধরতে পারেননি। নির্ধারিত সময় শেষে ওজন করে দেখা যায়, তিনি প্রথম ও চতুর্থ স্থান অর্জন করেছেন। এর আগে জুলাই মাসে একই দিঘিতে তিনি ৮ কেজি ওজনের কাতল মাছ ধরে আড়াই লাখ টাকা পুরস্কার পেয়েছিলেন বলে জানান।

এ প্রতিযোগিতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মেড্ডা এলাকার নাসির উদ্দিন ৪ কেজি ৪১০ গ্রাম ওজনের কাতল মাছ শিকার করে দ্বিতীয় হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ টাকা। এ ছাড়া শহরের মুন্সেফপাড়ার ইয়াছিন মিয়া ৪ কেজি ৭০ গ্রাম ওজনের কাতল মাছ শিকার করে তৃতীয় হয়েছেন। পেয়েছেন ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার। পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে ৩০ হাজার টাকা পেয়েছেন হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতালা গ্রামের কাউছার মিয়া। তিনি ৩ কেজি ৮৬০ গ্রাম ওজনের কাতল মাছ শিকার করেন।