‘কালো টেপ মোড়ানো ছিল সিসি ক্যামেরায়’, মনোনয়নপত্র সংগ্রহে বাধা

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন সমমনা পরিষদের সমন্বয়ক কাজী মাহমুদ ইমাম বিলু। আজ বিকেলেছবি: সংগৃহীত

প্রতিপক্ষের বাধার মুখে চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে সমমনা পরিষদের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। এ জন্য ‘বৃহত্তর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ঐক্য পরিষদ’ নামের নতুন একটি সংগঠনকে দায়ী করেছে সমমনা পরিষদ।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরের আগ্রাবাদে একটি রেস্তোরায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন সমমনা পরিষদের সমন্বয়ক কাজী মাহমুদ ইমাম বিলু। বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানিপ্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত এজেন্টদের সংগঠন এটি। বর্তমানে সমমনা পরিষদ এই সংগঠনের নেতৃত্বে রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি এই নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। মনোনয়নপত্র সংগ্রহের সময় ছিল গত ২৭-২৮ জানুয়ারি। তবে প্রথম দিন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে না পারায় নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দেয় সমমনা পরিষদ। এরপর ২৯-৩০ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র সংগ্রহের নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়। এই দুদিনও সমমনা পরিষদের কেউ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে পারেনি। কাউকে সিঅ্যান্ডএফ টাওয়ারে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে ঢুকতে দেননি প্রতিপক্ষের লোকজন। আবার মনোনয়নপত্র কেনার পরই কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, বহিরাগতদের নিয়ে সিঅ্যান্ডএফ টাওয়ারে ঐক্য পরিষদের নেতারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে যাওয়া সমমনা পরিষদের নেতাদের বাধা দেন। প্রমাণ ঢাকতে সিঅ্যান্ডএফ টাওয়ারের সব সিসি ক্যামেরায় কালো টেপ লাগিয়ে দেন তাঁরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমমনা পরিষদের উপদেষ্টা এমএ সাত্তার, আবদুল গণি, এস এম মোয়াজ্জেম হোসেন, মিচ্ছু সাহা, ফয়েজুল্লাহ মজুমদার প্রমুখ।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ‘বৃহত্তর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ঐক্য পরিষদ’–এর সভাপতি পদপ্রার্থী এস এম সাইফুল আলম অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘যাঁরা অভিযোগ করেন, তাঁরা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে যাননি। বাধা দিলে ৭৩টি মনোনয়ন ফরম কীভাবে বিক্রি হয়েছে?’ মনোনয়নপত্র কেনার পর কেড়ে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার মো. শরীফের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।