এ সময় আশপাশের মানুষ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে রহুল আমিনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে হায়ারুন বেগমের লাশ পাওয়া যায়। তবে আনফর আলীর সন্ধান পাওয়া যায়নি।

থানা-পুলিশ জানিয়েছে, নৌকাডুবির ঘটনায় বাল্কহেডটি জব্দ করা হয়েছে। সে সঙ্গে বাল্কহেডে থাকা চারজনকে আটক করা হয়। হায়ারুন বেগমের মৃত্যুর ঘটনায় বুধবার পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করার পর মঙ্গলবার বিকেলে তাঁদের আদালতে পাঠায়।

গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে এম নজরুল ইসলাম বলেন, ওই চারজনকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন