দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য দুই আসামি হলেন—একই উপজেলার আবুল কাশেম ও মো. লাতু। তিন আসামিকে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও দেন আদালত। ২০০৩ সালে মামলা হওয়ার পর গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘ দুই বছর জেল খাটেন তাঁরা। পরে তিনজনই জামিনে বের হয়ে আত্মগোপনে চলে যান। দণ্ডপ্রাপ্ত তিনজনের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম গ্রেপ্তার হলেও অন্য দুজন এখনো পলাতক।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালের ১৩ মে রাতে চার দুর্বৃত্ত সোনাগাজী উপজেলার একটি বাড়িতে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভেতরে ঢোকেন। পরে দুর্বৃত্তরা ওই বাড়ির গৃহবধূকে বেঁধে রাখেন এবং গৃহবধূর কিশোরী মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন। এ ঘটনার পরদিন ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে সোনাগাজী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে চারজনকে আসামি করে মামলা করেন।

মামলার তদন্ত শেষে একই বছর ১৩ আগস্ট সোনাগাজী থানার উপপরিদর্শক নুরুল ইসলাম চার আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার শুনানির সময় ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়। দীর্ঘ ১৯ বছর পর চলতি বছরের ১৪ জুলাই মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে এক আসামিকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।

সোনাগাজী মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. মাহবুব আলম সরকার প্রথম আলোকে বলেন, আদালত থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থানায় আসার পর থেকে তাঁরা আসামিদের খোঁজে মাঠে নামেন। কিন্তু কোথাও তাঁদের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। সম্প্রতি তিন আসামির মধ্যে জাহাঙ্গীর আলমের ছবি ও মুঠোফোন নম্বর পুলিশের হাতে আসে।

সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. খালেদ হোসেন বলেন, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ সোমবার জাহাঙ্গীর আলমকে আদালতের মাধ্যমে ফেনীর কারাগারে পাঠানো হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন