মহানগর কমিটি ঘোষণার পর রাত আটটার দিকে জেলা কমিটি ঘোষণার জন্য বসেন কেন্দ্রীয় নেতারা। দ্বিতীয় অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস (পরশ)। তবে অধিবেশন চলাকালীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুবলীগের চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তি ছড়িয়ে পড়ে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রায়হান ও মাহফুজুরকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। বিষয়টি যুবলীগের স্থানীয় নেতারা কেন্দ্রীয় নেতাদের জানান।

এদিকে জেলা কমিটির সভাপতি পদে ৬ জন ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য ৯ জন আবেদন করেছিলেন। তবে অধিবেশনে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পরও কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারায় কমিটি ঘোষণা ছাড়াই দ্বিতীয় অধিবেশন সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। ওই সময় জানানো হয়, কেন্দ্রীয় নেতারা বসে সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই ঘণ্টা পর কমিটি ঘোষণা করবেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে খুলনা জেলা যুবলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান রিয়াজ প্রথম আলোকে বলেন, কমিটি ঘোষণা না করার পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কমিটি ঘোষণার তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। এতে কেন্দ্রীয় নেতারা বিব্রত হয়েছেন। তাই কমিটি ঘোষণা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

তবে আজ বুধবার সকালে খুলনা জেলা যুবলীগের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি মো. কামরুজ্জামান জামাল প্রথম আলোকে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে দুজনের নাম ছড়িয়ে পড়েছিল, তাঁদেরই সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে। সম্মেলনস্থলে সিদ্ধান্ত দিতে না পারায় গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার পর নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়।