এ সময় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবং জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় দলটির বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী মাঠে উপস্থিত হন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, ‘আমরা মনে করছি, পরিবহনশ্রমিকেরা গণসমাবেশের আগে ধর্মঘট দেবেন না। আমরা সমাবেশ আয়োজনে পরিবহনশ্রমিকদের সহযোগিতা চাইছি।’ আরেক প্রশ্নের জবাবে আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন আমাদের সমাবেশ আয়োজনে সহযোগিতা করবে বলে মনে করছি। সমাবেশ সফল করতে সব রাজনৈতিক দল ও পুলিশের সহযোগিতা চাই আমরা। তবে বাধাবিপত্তি এলেও জনসমাগম ঠেকানো যাবে না।’

১৯ নভেম্বর পুরো সিলেট নগর জনসমুদ্রে পরিণত হবে আশা প্রকাশ করে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, মাঠের প্রস্তুতিসহ অন্যান্য প্রস্তুতি প্রায় শেষের দিকে। এখন বিএনপির প্রত্যেক নেতা-কর্মীর লক্ষ্য হচ্ছে ১৯ নভেম্বরের বিভাগীয় জনসমাবেশ সফল করা। কোনো বাধাবিপত্তিতে জনজোয়ার ঠেকানো যাবে না।
বিএনপির নেতাদের মাঠ পরিদর্শনের সময় দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহক্ষুদ্রঋণ–বিষয়ক সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল কাইয়ুম জালালী ও সদস্যসচিব মিফতাহ্ সিদ্দিকী, মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসিম হোসাইন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, বিএনপির নেতা হুমায়ূন কবির শাহিন, রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, এমদাদ আহমদ চৌধুরী, শামীম আহমদ, আবুল কাশেম, কোহিনুর আহমদ ও গোলাম রব্বানী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে আজ বেলা সোয়া দুইটার দিকে সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে গিয়ে দেখা যায়, মাঠের পূর্ব পাশে মাদ্রাসার ঠিক লাগোয়া অংশে গণসমাবেশের মঞ্চ নির্মাণের কাজ চলছে। আশপাশের সড়ক ও মাঠের পাশে ব্যানার-ফেস্টুন লাগাচ্ছেন নেতা-কর্মীরা। মাঠ প্রস্তুত করতে শ্রমিকেরা বালু ফেলছেন। বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা মাঠ প্রস্তুতের কাজ তদারক করছেন।