জানা গেছে, মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভূমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত একটি ক্ষতিপূরণ মামলায় সাড়ে ৩ একর জমির বিপরীতে ২ কোটি ৪৯ লাখ ১৭ হাজার ৬০২ টাকার চেক তোলার জন্য কিছুদিন আগে শাহ আলম মূল মালিকদের পক্ষে একটি আমমোক্তারনামা জমা দেন। রোববার ওই আমমোক্তারনামার বিপরীতে পাওনা টাকার চেক তুলতে গেলে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়।

জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মাসুদ কামাল বলেন, প্রকৃতপক্ষে এই সাড়ে তিন একর জমির মালিক মৃত খায়রুল বশিরের স্ত্রী, ছেলেমেয়েসহ পাঁচ ওয়ারিশান। তাঁরা ওই টাকা উত্তোলনের জন্য শাহ আলমকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিয়েছেন দাবি করে আমমোক্তারনামা জমা দেন তিনি। রোববার ওই টাকা উত্তোলনের জন্য আসেন শাহ আলম। তখন সন্দেহ হলে মূল ওয়ারিশদের ডেকে আনা হয়। এ সময় প্রমাণিত হয়, তাঁরা কোনো আমমোক্তারনামা দেননি।

শাহ আলমকে আটক করে কোতোয়ালি থানায় পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলার ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা এহসান মুরাদ। তিনি বলেন, শাহ আলমের বিরুদ্ধে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি ভূমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত একটি জালিয়াত চক্রের সদস্য বলে জানা গেছে।

এহসান মুরাদ আরও বলেন, এই ঘটনার পেছনে শাহ আলমের সঙ্গে আরও কয়েকজন সদস্য রয়েছেন। তাঁরা একসঙ্গে এই আমমোক্তারনামা বানিয়েছেন। বাকিদের আটকের জন্য পুলিশকে বলা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন