মে মাসে ইটের সুরকি ও মাটি দিয়ে সড়কের ওই অংশটুকু সংস্কার করা হয়। সেতুর পাড়ে ৫০ মিটার অংশে সিমেন্টের ব্লক দিয়ে পাড় বাঁধা হয়। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে আবারও সড়কের পূর্ব পাশে দৈর্ঘ্যে ৭০ মিটার ও প্রস্থে ৮ মিটার দেবে যায়। এতে যানবাহন চলাচলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।

ওই পথ দিয়ে চলাচলকারী নগরকান্দার বাউতিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা কলেজছাত্র জহির হোসেন (২২) বলেন, ‘রাস্তার এ অংশটুকু নিয়ে আমাদের ভোগান্তির শেষ নেই। গত বছর থেকে এ পর্যন্ত তিনবার ভেঙেছে। সংস্কার করার কিছুদিন পর আবার একই অবস্থা হয়।’

নগরকান্দা উপজেলা সদরের বাসিন্দা মিজানুর রহমান (৪৫) বলেন, ‘ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াতের জন্য সড়কটি ব্যবহার করতে হয়। শশা এলাকায় সেতু পার হওয়ার সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। আমরা বিপদের মধ্যে রয়েছি।’

সরকারি নগরকান্দা মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী লস্করদিয়া গ্রামের বাসিন্দা সুমাইয়া আক্তার (২০) বলেন, ‘এ রাস্তা দিয়ে বাসে করে কলেজে যাই। এখান দিয়ে একটার বেশি যানবাহন পার হতে পারে না। অনেক সময় এখানে যানজট লেগে যায়। এই জায়গা আমাদের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

ফরিদপুর থেকে পাশের গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর পর্যন্ত চলাচলকারী বাসের চালক হামিদ মোল্লা (৪২) বলেন, সেতুর ওই স্থানে সড়কের আট মিটারের বেশি ধসে গেছে। সড়ক সরু হওয়ায় গাড়ি চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। অনেক সময় অটোরিকশা পার হওয়ার জন্য বাস বা ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এতে সময় লাগে বেশি।

শশা সেতুটি নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সীমানায়। ওই ইউপির চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, শশা সেতুসংলগ্ন সড়কের পাশ সংস্কারের পরও ধসে যাচ্ছে। সড়ক বিভাগ সংস্কার করলেও তা স্থায়ী হয় না। ফলে দুর্ভোগ যাচ্ছে না। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান জরুরি হয়ে পড়েছে।

ফরিদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ইমরান ফারহান বলেন, শশা সেতুর পাশে খাল খনন ও গত বছরের অতিবৃষ্টির কারণে এ সমস্যা হয়েছে। ওই রাস্তায় যে সংস্কারকাজ করা হয়েছিল, সেটি ছিল সাময়িক। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন