পূর্ববিরোধের জেরে ইউছুপকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় ব্যক্তিরা।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফায়েল আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় দোকানিসহ প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছেন, রোববার সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে তিন যুবক হোটেলে ঢুকে ইউছুপকে কুপিয়ে হত্যা করে চলে যান। তাঁদের সঙ্গে আরও কেউ হোটেলের বাইরে ছিলেন কি না, এ মুহূর্তে নিশ্চিত নন তিনি। ঘটনার কারণ জানার চেষ্টা করছেন। লাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ইউছুপ খান ওয়ার্ড যুবলীগের কর্মী বলে নিশ্চিত করেছেন পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, যাঁরা হত্যা করেছেন, তিন মাস আগেও তাঁদের সঙ্গে ইউছুপের বন্ধুত্ব ছিল। প্রত্যেকে যুবলীগের কর্মী ছিলেন। তাঁরা মিলেমিশে এলাকায় মাটি বিক্রি ও ইট-বালু-সিমেন্ট সরবরাহ করতেন। তিন মাস আগে থেকে তাঁদের মধ্যে দূরত্বের সৃষ্টি হয়। রোববার ইউছুপকে হোটেলে একা পেয়ে কুপিয়ে ফেলে রেখে যান। পরে স্থানীয় ব্যক্তিরা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তিনিও হাসপাতালে দেখতে গিয়েছেন বলে জানান। তবে খুনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নাম বলতে চাননি তিনি।

সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নুর উদ্দীন রাশেদ প্রথম আলোকে বলেন, সন্ধ্যা সাতটার দিকে ওই যুবককে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ব্যক্তির পেটে চারটি ও ঘাড়ে একটি ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।