ইউপি সদস্য ছিলেন, এখন এমপি নুরুল আমিন

নুরুল আমিনছবি: সংগৃহীত

শুরুতে ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য। এরপর নির্বাচিত হয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদেও নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

এই পথচলা নুরুল আমিনের। চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বিএনপির মনোনয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টায় আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সোমাইয়া আক্তার বেসরকারিভাবে তাঁকে নির্বাচিত ঘোষণা করেন।

ভোটের ফল অনুযায়ী, বিএনপির প্রার্থী নুরুল আমিন ১ লাখ ২৮ হাজার ৭৯৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৫৩৮ ভোট।

ভোটের ফল অনুযায়ী, বিএনপির প্রার্থী নুরুল আমিন ১ লাখ ২৮ হাজার ৭৯৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৫৩৮ ভোট।

মিরসরাই উপজেলার ফেনী নদীর দক্ষিণ পাড়ঘেঁষা ওচমানপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রাম পাতাকোটে ১৯৬৮ সালের ১ জানুয়ারি জন্ম নুরুল আমিনের। তাঁর বাবার নাম মাওলানা আবুল খায়ের। তাঁর স্ত্রীর নাম নুরুন্নাহার। চার ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে তাঁর।

আলাপচারিতায় নুরুল আমিন জানান, সমাজসেবার তীব্র ইচ্ছা থেকে ১৯৯৮ সালে প্রথম ইউপি সদস্যপদে নির্বাচন করেন তিনি। মানুষের বিপুল সমর্থনে সেবার জয় লাভ করে প্রথমবারের মতো জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পান। পরে ২০০৩ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়ে জয় লাভ করেন। ২০১৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্তে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেন। তবে তাঁকে সেই পদ থেকে অপসারণ করা হয়। ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেও নির্বাচিত হতে পারেননি তিনি। এবার দলের মনোনয়নে জয়ী হয়েছেন।

জানতে চাইলে নুরুল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘মিরসরাইয়ের মানুষ ভালোবেসে আমাকে ইউপি সদস্যের পদ থেকে আজকের এই পর্যায়ে এনেছে। সাধারণ মানুষের আস্থা আর বিশ্বাস অর্জন করতে পারাটাই আমার যোগ্যতা। নানা সময় দলের নানান পদে কাজ করতে গিয়ে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত সইতে হয়েছে। তবু কখনো বিশ্বাস হারাইনি। সর্বশেষ দল আমাকে মনোনয়ন দিয়ে যে সম্মান দিয়েছে, আমি তার মর্যাদা রক্ষার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণ মানুষ এখনো বিএনপিকে প্রচণ্ড ভালোবাসে। আমি আমার সামর্থ্যের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে দেশ ও মানুষের সেবা করতে চাই।’