শারমিনের বাবা মনির আহাম্মদ অভিযোগ করে বলেন, শারমিনকে তাঁর স্বামী কামাল উদ্দিন প্রায়ই মারধর করতেন। কিছুদিন আগে স্বামীর মারধরে অসুস্থ হয়ে শারমিন বাবার বাড়িতে চলে আসেন। আসার পর থেকে শারমিন অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু অভাবের কারণে তিনি ঠিকমতো মেয়ের চিকিৎসা করাতে পারেননি। এতে তাঁর মেয়ে আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। গতকাল সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ছয়টার দিকে তাঁর মেয়ে বাড়িতে মারা যান।

মনির আহাম্মদের অভিযোগ, স্বামীর মারধরেই তাঁর মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর সঠিক কারণ বের করে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।

তবে এ ঘটনার পর থেকে কামাল হোসেন গা ঢাকা দিয়েছেন। এ জন্য শারমিনের পরিবারের অভিযোগের বিষয়ে কামাল হোসেনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চর জব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেবপ্রিয় দাস প্রথম আলোকে বলেন, নিহত শারমিনের লাশের সুরতহাল প্রতিবেদনে নির্যাতনের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তাঁর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন