মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, মিজানুর রহমানের সঙ্গে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উত্তর শ্যামপুর গ্রামের তোজাম্মেল হকের মেয়ে জেসমিনের বিয়ে হয়। গত ২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর রাতে জেসমিনকে তাঁর স্বামী মিজানুর রহমান শ্বাসরোধ করে হত্যার পর পালিয়ে যায়। পরের দিন সকাল সাড়ে নয়টায় গ্রামের লোকজন জেসমিনের মৃত্যু খবর তাঁর বাবাকে জানান।

জেসমিনের বাবা তাঁর আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে জামাইয়ের বাড়িতে এসে দেখেন, শয়নঘরের খাটের ওপর জেসমিনের লাশ পড়ে আছে। জেসমিনের নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। তাঁরা বাড়িতে জামাতাকে পাননি। তাঁরা প্রতিবেশীদের কাছে জানতে পারেন ঘটনার পর জামাতা মিজানুর পালিয়ে গেছেন।

জেসমিনের বাবা তোজাম্মেল হক বাদী হয়ে ২৭ অক্টোবর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ২০১১ সালের ৩১ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কালাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আখতার হোসেন আসামির বিরুদ্ধে ৩০২ ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।